← Back to list

Effect of war on Bangladesh RMG

বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতে বাংলাদেশের RMG সেক্টরে দুইটি বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে।

NetZe Eco Energy Solution (NEES) LTD. · 2026-03-31 18:36 · 0 claps · 4.2 min read
#usa #iran-war #rmg #bangladesh
Open on Medium ↗

Effect of war on Bangladesh RMG

বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতে বাংলাদেশের RMG সেক্টরে দুইটি বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে।

১। জ্বালানীর অভাব হলে বিদ্যুতের রেট কত হতে পারে?

২। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশ কতটা কম্পিটিশন দিতে পারবে?

আজ যুদ্ধের ৩৫ তম দিন চলছে। এখন পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েল প্রতি ৳১১১ করে ট্রেডিং হচ্ছে। ধরে নিলাম বাংলাদেশকে হরমুজ প্রনালী হয়ে জাহাজ আসতে দেয়া হলো –

এখন বিষয় হলো, যদি এই তেলের দাম না কমে তাহলে বাংলাদেশ কতদিন ভর্তুকি দিয়ে জনগনকে দিতে পারবে? অলরেডি লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে পেট্রোল পাম্পগুলোতে।।

এবার আসি বিদ্যুতে।

[STATE]

বিদ্যুতের এই বড় একটা অংশ তেলের/ডিজেলের উপর নির্ভরশীল। এতোমধ্যে সরকার ভর্তুকি দিয়েই পাওয়ারপ্ল্যান্ট গুলোকে চালাচ্ছে। আর আমাদের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারকি এই ভর্তুকির পরিমান আরো বাড়াতে পারবে? যদি ভর্তুকি না বাড়ায় তাহলে সমাধান কি? বিদ্যুতের রেট বাড়ানো।

এখন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সংযোগে বিদ্যুতের রেট ৯.৭৫ টাকা (অফ পিকে) আর ১১ থেকে ১৫ টাকা পিকে। এই রেট বেশিনা, যদি বেড়ে ১১ থেকে ১৮ টাকা হয়, বাংলাদেশে অনেক ফ্যাক্টরিই বন্ধ না হলেও লাইফ সাপোর্টে কোমায় চলে যাবে।

তো আসন্ন এই ঝুকি আমরা কিভাবে মোকাবিলা করতে পারি? কোনো সমাধান আছে???

জ্বি। ডঃ ইউনুস স্যার ও তার সরকার এই ঝুকিটা হয়তো আগেই আন্দাজ করতে পেরেছিলেন। তাই, উনারা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন যার ফল হয়তো আমরা সবাই চাইলেই এখন নিতে পারি। আর সেটা কি?

রিনিউয়েবল এনার্জি।

জ্বি। রিনিউয়েবল এনার্জি।

এই একটাই সেক্টর আছে যেখান থেকে আমরা ফ্রিতে শক্তি পাই কিন্তু ব্যাবহার করতে পারিনা।

কেন পারিনা? কারন আমরা নতুন কোনো কিছু দেখলে ভয় করে। আগে আমার পাশের কেউ এটা ব্যাবহার করুক। দেখি সে কেমন সুবিধা পায় কি না? তারপর আমি ভেবে দেখব।

চলুন দেখি, আমরা ভাবতে ভাবতে দুনিয়াতে এই সেক্টরে এখন পর্যন্ত কি কি পরিবর্তন হয়েছে।

Our World in Data অনুযায়ী ২০১২ সালেও সোলার দিয়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উতপাদনে খরচ হতো $0.425 যা টাকায় প্রায় ৫১ টাকা । এখন এই খরচ এসে দাড়িয়েছে ০.০২৩ ডলারে যা টাকায় ২.৭৬ টাকা। পারসেন্টে ৯০% হ্রাস।

অর্থাৎ যারা ২০১২ সালেও ভেবে রেখেছিলেন যে সোলার অনেক দামি, ব্যায়বহুল, তারা ঠিকই ভেবেছিলেন। সমস্যা হলো উনারা পরবর্তীতে আর কোনো খোজ খবর রাখেননি।

এখন আসা যাক কেন ও কিভাবে সোলারের দাম কমলো?

এর উত্তর হলো ২০১৩ সালে জার্মানির Fraunhofer Institute for Solar Energy Systems (ISE) নামে একটি রিসার্চ ইন্সটিটিউট প্রথমবারের মতো পাবলিশ করে তাদের নতুন টেকনোলজি যা আমরা বর্তমানে চিনি TopCon টেকনোলজি নামে। এরপর ২০১৯ সালে বানিজ্যিক ভাবে এর উৎপাদন শুরু হয় এবং সোলারের দাম কমতে থাকে। আর কমতে কমতে আজ এখানে এসেছে।

বাংলাদেশের প্রসঙ্গে সোলার কতটা যুক্তিযুক্ত?

এটা বুঝতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে আমাদের বর্তমান বিদ্যুতের খরচ এবং সোলারে নেটমিটারিং সিস্টেম।

তো নেটমিটারিং সিস্টেমটা আসলে কি?

খুব সহজেই বুঝে যাবেন যত কঠিনই হোক না কেন।

সোলার প্যানেলের একটা সমস্যা হলো এটি শুধুমাত্র সূর্যের আলো থাকলেই বিদ্যুৎ উতপাদন করতে পারে। কিন্তু যদি বিদ্যুতকে ব্যাটারিতে স্টোর না করা হয় এবং সূর্য থাকাকালিন পর্যাপ্ত লোড না থাকে তাহলে উৎপাদিত বিদ্যুৎ অপচয় হয়।

এই সমস্যা সমাধানে ব্যাটারির ভূমিকা পালন করে আমাদের জাতীয় গ্রীড। অর্থাৎ যদি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উতপাদন হয় সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রীডে বিক্রি হয়ে যায় যা পরবর্তীতে আবার ফ্রীতে গ্রীড হতে ব্যাবহার করা যায়। প্রতি ৩ মাস পর পর এই বিক্রি হওয়া বিল সমন্বয় করা হয়। এভাবে বিদ্যুৎ বিল শূন্য অথবা উপার্জনও করা যায়। আর এই ক্রয় বিক্রয় ট্র্যাক করা হয় একটি বাইডিরেকশনাল মিটারের মাধ্যমে।

এবার দেখা যাক অর্থনৈতিক ভাবে সোলার কতটা লাভজনক?

বর্তমানে আমরা ফ্যাক্টরিতে যেই বিদ্যুৎ ব্যাবহার করি তার সর্বনিম্ন ইউনিট রেট ৯.৭ টাকা (অফ-পিকে) এবং সর্বোচ্চ ১৫ টাকা (পিক আওয়ারে)।

আর বানিজ্যিক সংযোগে সর্বনিম্ন ১১ টাকা। কোথাও কোথাও এই ইউনিট রেট ১৮ টাকার ও বেশি।

তো ধরি কোনো ফ্যাক্টরির মাসিক বিদ্যুৎ বিল ১ লক্ষ টাকা।

তাহলে ঐ ফ্যাক্টরি সর্বনিম্ন মাসিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করেঃ

১। ১০০০০০ ÷ ৯.৭৫ = ১০২৫৬ ইউনিট।

দৈনিক ব্যাবহার করেঃ

২। ১০২৫৬ ÷ ৩০ = ৩৪১.৮ ইউনিট বিদ্যুৎ।

এবার, সোলার থেকে যদি এই সম্পূর্ন বিদ্যুৎ নিতে চাই তাহলে আমাদের কতটুকু সোলার সিস্টেম বসাতে হবে?

বাংলাদেশে সোলার দৈনিক ৩.৩ হতে ৪.৩ unit/kW পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। এটি নির্ভর করে পুরো সিস্টেম ডিজাইন ইফিসিয়েন্সির উপর। অর্থাৎ, ডিজাইন যত ভাল হবে, উতপাদনও তত ভাল হয়। বাংলাদেশের কোথাও যদি ৩ ইউনিটের কম প্রোডাকশন হয় তাহলে ঐ সিস্টেমের ডিজাইন উপগ্রেড করে এই উতপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ আছে যদি ব্যাবহৃত মেটেরিয়াল counterfeited না হয়।

তো দৈনিক ৩৪৩.৬ ইউনিট বিদ্যুৎ উতপাদন করতে সোলার সিস্টেমের প্রয়োজনঃ

৩। ৩৪১.৮ ÷ ৩.৩ = ১০৩.৬ kWp

অর্থাৎ, ১ লক্ষ টাকা বিদ্যুৎ বিল কমাতে বা সেভ করতে সোলার সিস্টেম বসাতে হবে প্রায় ১০০ kWp সোলার সিস্টেম।

এখন কথা হল, বর্তমান বাজার অনুযায়ী, ১০০ kWp সোলার সিস্টেম ডিজাইন ও স্থাপন করতে কত টাকা খরচ হয়?

প্রতি kWp এর জন্য ৩৬০০০ টাকা করে ধরলে ১০০ kWp এর জন্য খরচ হয়

৪। ৩৬০০০ x ১০০ = ৩৬,০০,০০০ টাকা।

যা মূলত ৩ বছরের বিদ্যুৎ বিলের সমান।

অর্থাৎ ৩ বছরের বিদ্যুৎ বিল দিয়ে একটি সোলার সিস্টেম স্থাপন করলে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে আর কোনো টেনশন করতে হচ্ছে না।

এখন কথা হলো, এই সিস্টেম কতদিন টিকে থাকবে?

সোলার সিস্টেমের প্রধান উপাদান হলো সোলার প্যানেল ও ইনভার্টার। ভাল প্যানেল ও ইনভার্টার ব্যাবহার করা হলে ইনভার্টার ১০ বছরের ওয়ারেন্টি আর প্যানেলের ১২ বছর রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি সহ ৩০ বছর লিনিয়ার পাওয়ার ওয়ারেন্টি রয়েছে।

এছাড়া কেবল (DC & AC), সার্কিট ব্রেকার, কম্বাইনার, মাউন্টিং স্ট্রাকচার সহ আরো বেশ কিছু উপাদান অন্তর্ভুক্ত। যদি যথাযথ ডিজাইন করা হয় তাহলে তাহলে সকল উপাদানই তার ওয়ারেন্টির চেয়েও বেশি সময় সার্ভিস দিয়ে থাকে।

তাহলে মোটামোটি বোঝা গেল যে, এই সিস্টেম অন্তত ৩০ বছর থাকবে। এর মাঝে হয়তো একবার বা সর্বোচ্চ দুইবার ইনভার্টার সার্ভিসিং করতে হতে পারে।

এখন সর্বশেষঃ এত টাকা থাকলেতো ইনভেস্ট করলে তো আমার নিজের ব্যাবসাই আরো বাড়ানো যায়। সোলারে কেন?

বাংলাদেশ ব্যাংক রিনিউয়েবল এনার্জি স্কিম এ সোলার প্রোজেক্টগুলোতে ৫% ইন্টারেস্টে লোন দিচ্ছে। যদি আপনার রানিং ব্যাবসা হয়ে থাকে তাহলে এই লোন দিয়ে সোলার স্থাপন করলেন, রেগুলার যেই বিদ্যুৎ বিল আগে দিতেন ঐ বিদ্যুৎ বিলই পরবর্তী ৩ বিছর দিয়ে যেবেন। এতে করে লোন পরিশোধ হয়ে যাবে। আরে পরবর্তী ২৭ বাছর টেনশন ফ্রী বিদ্যুৎ।

এছাড়া, LEED certification, Green building certification, এই সব সুবিধা তো বাই প্রোডাক্ট হিসেবে পেয়ে যাচ্ছে।

তো এতক্ষন যা যা আলোচনা করা হল এই সবগুলো সুবিধা একজায়গায় পেতে যোগাযোগ করুন

NetZe Eco Energy Solution Ltd.

We analyze the factory energy profile and the available energy sources. Design the combination of cost effective solution for best profitability of the factory.

Contact

Call/WhatsApp: +8801954104446

Email: contact@netzeenergy.com

Websiite: https://netzeenergy.com


메타데이터
post_id
cce9732bb6fb
slug
effect-of-war-on-bangladesh-rmg-cce9732bb6fb
url
https://medium.com/@netzeenergy/effect-of-war-on-bangladesh-rmg-cce9732bb6fb
canonical_url
https://medium.com/@netzeenergy/effect-of-war-on-bangladesh-rmg-cce9732bb6fb
author_url
https://medium.com/@netzeenergy
status
ok
fetched_at
2026-06-17 08:20:12